‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ শুনলে ব্লিডিং হয়, কিন্তু ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ শুনলে ব্লিডিং হয় না—এমন মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন Asif Mahmud। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ ইঙ্গিত দেন, দেশপ্রেমমূলক স্লোগান আর পরিবর্তনের আহ্বানমূলক স্লোগানের প্রতিক্রিয়ায় এক ধরনের বৈষম্য বা দ্বিমুখী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে প্রশ্ন ওঠে—কোন স্লোগান গ্রহণযোগ্য আর কোনটি অগ্রহণযোগ্য, সেই মানদণ্ড নির্ধারণ করছে কে?
মন্ত্রী의 এই মন্তব্যের পর সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। সমর্থকদের একটি অংশ বলছে, বক্তব্যটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের সংজ্ঞা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে সমালোচকরা মনে করছেন, এ ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক বিভাজন আরও বাড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ও ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’—দুটি স্লোগানই ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হলেও উভয়ই জনমানসে শক্ত প্রতীকী অর্থ বহন করে। একটির প্রতিক্রিয়ায় কঠোরতা আর অন্যটির ক্ষেত্রে নমনীয়তা থাকলে তা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে আসিফ মাহমুদের এই মন্তব্য যে রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে, তা বলাই যায়।
